প্রশ্নের বর্ণনা

a বুদ্ধদেব বসু
b কাজী আবদুল ওদুদ
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
d হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১. কেন সঠিক: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত এবং হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক। - তিনি কলকাতার মুক্তবুদ্ধি তরুণদের মধ্যে যে পশাচ্য শিক্ষার আলো ও স্বাধীন চিন্তার বিকাশ ঘটিয়েছিলেন, তা ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলন নামে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন একজন ইউরোশিয়ান কবি ও শিক্ষক যিনি স্বাধীন চিন্তাধারা প্রচার করতেন। - তাঁর অনুসারী তরুণরা ডিরোজিয়ান বা ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত ছিলেন এবং তাঁরা সমাজসংস্কার ও গোঁড়ামি বিরোধিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যাখ্যা: তিনিও পাশ্চাত্য শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার প্রবর্তন করেছিলেন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ব্যাখ্যা: তিনি বাংলার শিক্ষা বিস্তার ও সমাজ সংস্কারে ডিরোজিওর পদাঙ্ক অনুসরণ না করলেও আধুনিকতার ক্ষেত্রে সমসাময়িক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার একজন অন্যতম প্রধান কবি ও প্রাবন্ধিক। B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী এবং শিখরপন্থী বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন আধুনিক বাঙালি ঔপন্যাসিক ও কবি। D) হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সরাসরি ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়ংবেঙ্গল বা তরুণ বাংলা আন্দোলন বললেই ডিরোজিওর নাম মনে রাখতে হবে কারণ তিনি তরুণদের নিয়ে এই দল গঠন করেছিলেন। - শিক্ষক ডিরোজিওর ছাত্ররাই ইতিহাসে ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার নবজাগরণ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্ন আসে। - ডিরোজিওর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের নাম এবং তাঁর অনুসারীদের মুখপত্র সম্পর্কেও তথ্য জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0