প্রশ্নের বর্ণনা

a কানাহরি দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c ভারতচন্দ্র রায়
d রথীন্দ্রনাথ রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - পঙক্তিটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্তর্গত। - ঈশ্বর পাটুনী চরিত্রটি অন্নপূর্ণার কাছে বৈষয়িক সমৃদ্ধি ও অন্ন-পজ্রের কামনায় এই প্রার্থনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেঁয়াজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং তাকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে। ব্যাখ্যা: অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বর পাটুনীর বহুল প্রচলিত ও ঐতিহাসিক প্রার্থনা বাক্য। উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়। ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়ের অন্নদামঙ্গল কাব্যের আরেকটি বিখ্যাত প্রবচনমূলক পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসা মঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন কবি ছিলেন এবং এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — আধুনিক যুগের বিশ্বকবি হলেও এই মধ্যযুগের বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর রচনা নয়। C) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর। D) রথীন্দ্রনাথ রায় — ইনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও গবেষক, এই প্রাচীন পঙক্তির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুধে ভাতে বাঁচার প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বর পাটুনী আর এই চরিত্রটি সৃষ্টি করেছিলেন কবি ভারতচন্দ্র রায়। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ উজ্জ্বল নক্ষত্র ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের বিখ্যাত চরিত্র ও উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - ভারতচন্দ্র রায় রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক গ্রন্থ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0