প্রশ্নের বর্ণনা

a বিহারীলাল চক্রবর্তী
b গোবিন্দচন্দ্র দাস
c মোজাম্মেল হক
d সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার প্রথম কবি বলা হয় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে কারণ তিনিই প্রথম বাংলা কবিতায় বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে অন্তরের ব্যক্তিগত সুখদুঃখ, আনন্দ-বেদনা ও আত্মোপলব্ধিকে প্রধান করে তুলেছিলেন। মহাকাব্যের বাহ্যিক বর্ণনা থেকে বেরিয়ে এসে গীতিকবিতার মূল সুর অর্থাৎ আত্মকেন্দ্রিক ভাবপ্রবণতা ও সুরের মূর্ছনা তার কবিতায় প্রথম সার্থকভাবে ফুটে উঠেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে বাংলা লিরিকের মূল প্রবর্তক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে সারদামঙ্গল, বাসবদত্তা, প্রেমসঙ্গীত ও সাধের কাঙ্গালী উল্লেখযোগ্য যা বাংলা সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মানসী’ বা ‘সোনার তরী’ কাব্য। ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তীর হাত ধরে যে গীতিকবিতার ধারা সূচিত হয়েছিল, রবীন্দ্রনাথের এই কাব্যগুলিতে তার পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক রূপ বিকাশ লাভ করে। উদাহরণ ২: বিহারীলাল চক্রবর্তীর ‘সারদামঙ্গল’ কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি বাংলা গীতিকবিতা ধারার একটি মাইলফলক যা লিরিকধর্মী সুর ও ভাবের গভীরতার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার প্রবর্তক ও প্রথম কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। B) গোবিন্দচন্দ্র দাস — ইনি স্বভাবকবি হিসেবে পরিচিত হলেও আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার প্রথম কবি নন। C) মোজাম্মেল হক — ইনি একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ও অনুবাদক হলেও গীতিকবিতার ধারা প্রবর্তনে তার কোনো ভূমিকা নেই। D) সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার — ইনি একজন প্রতিভাবান কবি হলেও গীতিকবিতার প্রথম প্রবর্তক হিসেবে পরিগণিত হন না। ৫ মনে রাখার টিপস: বিহারীলাল চক্রবর্তী মানেই গীতিকবিতার পাখি এবং রবীন্দ্রনাথের কবিতার গুরু। পরীক্ষায় গীতিকবিতার প্রথম কবি এলেই চোখ বন্ধ করে বিহারীলাল চক্রবর্তী উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে তাকে ভোরের পাখি বলা হয়। একইভাবে সাহিত্যিক উপনাম বা প্রথম প্রবর্তক সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রেও লেখকদের ঐতিহাসিক অবদান মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0