প্রশ্নের বর্ণনা

a বিহারীলাল চক্রবর্তী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: আধুনিক গীতি কবিতার সূচনার ক্ষেত্রে বিহারীলাল চক্রবর্তীর অবদান প্রথম হলেও এর পূর্ণাঙ্গ রূপ ও সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে। তাঁর হাতে গীতি কবিতা বিষয়বস্তু, সুর মাধুর্য, দর্শন ও আবেগের গভীরতায় অনন্য উচ্চতা লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। তাঁর হাতে গীতি কবিতা শুধু ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশের মাধ্যম থাকেনি, বরং তা বিশ্বজনীন রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতি কাব্য যেখানে তাঁর কাব্যিক দক্ষতার সর্বোচ্চ বিকাশ দেখা যায়। উদাহরণ ২: সোনার তরী ব্যাখ্যা: এই কাব্যে কবি জীবনের গভীর দর্শন ও গীতিধর্মিতার এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তাঁকে আধুনিক গীতি কবিতার ভোরের পাখি বলা হয় কিন্তু সর্বোচ্চ বিকাশ তাঁর হাতে হয়নি। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর হাতেই গীতি কবিতা পূর্ণতা লাভ করেছে। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি মূলত বিদ্রোহী ও সাম্যের কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। D) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি মূলত ঐতিহাসিক নাটক এবং দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: ভোরের পাখি বললে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে চেনো এবং সর্বোচ্চ বিকাশ বললে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে রেখো। বাংলা গীতি কবিতার ক্ষেত্রে এই দুটি নাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক গীতি কবিতার সূচনা ও বিকাশ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সূচনা এবং সর্বোচ্চ বিকাশ এই দুটি আলাদা বিষয় মাথায় রেখে উত্তর নির্বাচন করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0