প্রশ্নের বর্ণনা

a আবুল ফজল
b মাহবুব উল আলম
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান। - এই সংকলনে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কবির কবিতা, প্রবন্ধ ও গল্প স্থান পেয়েছিল, যা তৎকালীন বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও সাহিত্য গবেষক হিসেবে পরিচিত। - ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের পর তৎকালীন পাকিস্তানি সরকার এই সংকলনটি বাজোপ্ত করেছিল, যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের একটি বড় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম বিখ্যাত উপন্যাস, যা একুশের চেতনাকে সাহিত্যরূপে ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: রক্ত প্রবাল ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংকলন ও সাহিত্যকর্ম, যা একুশের চেতনাকে ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও এই ঐতিহাসিক সংকলনটির সম্পাদক ছিলেন না। B) মাহবুব উল আলম — তিনি সাহিত্যিক হলেও ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলন সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হাসান হাফিজুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি প্রথম এই সংকলনটি সম্পাদনা করেছিলেন। D) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনের কবিতা ‘কোন এক মাকে’ এর রচিয়তা হলেও এই সংকলনের সম্পাদক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশের প্রথম সংকলন সম্পাদনা করেছেন হাসান হাফিজুর রহমান, মনে রাখার জন্য ‘হাসান ও একুশ’ এভাবে স্মরণ রাখতে পারো। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলনের সঙ্গে হাসান হাফিজুর রহমানের নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে এবং এর সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ও উপন্যাসের নাম বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রায়ই পৃথকভাবে জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0