প্রশ্নের বর্ণনা

a 1997
b 1998
c 1999
d 2000
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৯ ১. কেন সঠিক: অধ্যাপক আহমদ শরীফ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, গবেষক, প্রাবন্ধিক ও মুক্তচিন্তার প্রতীক। তিনি ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আহমদ শরীফ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গবেষণা গ্রন্থ হলো স্বদেশ অন্বেষা, মধ্যযুগের সাহিত্য ও বাঙালি সংস্কৃতি এবং প্রত্যক্ষদর্শী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও নাট্যকার যিনি ১৯৭১ সালে শহীদ হন। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ব্যাখ্যা: তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক যিনি ১৯৬৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৭ — এই সালে অধ্যাপক আহমদ শরীফ মৃত্যুবরণ করেননি কারণ তিনি শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। B) ১৯৮৮ — এই সালটি আহমদ শরীফের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং তিনি আরও এক দশক পরে মৃত্যুবরণ করেন। C) ১৯৯৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান। D) ২০০০ — এই সালটি আহমদ শরীফের মৃত্যুর পরের বছর তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: আহমদ শরীফ মারা যান শেষ শতাব্দীর একেবারে শেষ প্রান্তে অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে। তার জন্মের সালটি মনে রাখলে মৃত্যুর সালটি হিসাব করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গবেষক ও প্রাবন্ধিকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল প্রায়ই আসে। আহমদ শরীফের মতো মুক্তমনা লেখকদের জীবনকাল ও তাদের বিখ্যাত গবেষণামূলক গ্রন্থগুলোর নাম ভালো করে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0