প্রশ্নের বর্ণনা

a রফিকুল ইসলাম
b রশীদ করিম
c মেজর জেনারেল খুসওয়ান্ত ‍সিং
d কর্নের সিদ্দিক মালিক
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর জেনারেল খুসওয়ান্ত ‍সিং ১. কেন সঠিক: - মেজর জেনারেল খুসওয়ান্ত সিং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সামরিক অভিযানের ওপর ভিত্তি করে দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - এই গ্রন্থে বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং সামরিক কৌশলগত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার প্রামাণ্য বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মেজর জেনারেল খুসওয়ান্ত সিং একজন প্রখ্যাত সামরিক ইতিহাসবিদ ও লেখক যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণামূলক ও প্রামাণ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ রক্তাক্ত অধ্যায় ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: একাত্তরের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দিনলিপি বা স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিকুল ইসলাম — তিনি সেক্টর কমান্ডার ও লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে। B) রশীদ করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও এই ঐতিহাসিক গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) কর্নের সিদ্দিক মালিক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রতিষ্ঠিত লেখকের নাম নয় এবং এটি ভুল অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিদেশি সামরিক কর্মকর্তা রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সঙ্গে গ্রন্থটির ইংরেজি নাম মিলিয়ে পড়তে হবে। খুসওয়ান্ত সিং নামটির সঙ্গে দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ গ্রন্থটি জোড়বদ্ধ করে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন বিদেশি গ্রন্থ ও লেখকের নাম প্রায়ই আসে। তাই প্রামাণ্য গ্রন্থগুলোর রচয়িতাদের নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0