প্রশ্নের বর্ণনা

a সওগাত
b মোহাম্মদী
c সমকাল
d শিখা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিখা ১. কেন সঠিক: - উক্তিটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র শিখা পত্রিকার প্রচ্ছদে বা প্রতি সংখ্যার শুরুতে নীতিবাক্য হিসেবে মুদ্রিত থাকত। - বাঙালি সমাজের গোঁড়ামি, কূপমণ্ডূকতা ও সামাজিক অন্ধত্ব দূর করে মুক্তবুদ্ধি চর্চার আহ্বান জানাতে এই স্লোগানটি ব্যবহার করা হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শিখা পত্রিকা ১৯২৬ সালে গঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় যার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হুসাইন। - এই পত্রিকার সাথে যুক্ত বুদ্ধিজীবীরা সমাজ সংস্কার ও মুক্তচিন্তার আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আব্দুল ওদুদের নদিয়া কাহিনি ব্যাখ্যা: এটি শিখা গোষ্ঠীর মুক্তবুদ্ধি ও সমাজ সংস্কারের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের চৌচির ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও শিখা পত্রিকার মুক্তচিন্তা ও গোঁড়ামি বিরোধিতার প্রভাব স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন সম্পাদিত একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা হলেও এই নির্দিষ্ট নীতিবাক্যটি এর ছিল না। B) মোহাম্মদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ সম্পাদিত একটি ইসলামি ভাবধারার পত্রিকা যা শিখার মুক্তচিন্তার দর্শনের বিপরীত ধারার ছিল। C) সমকাল — সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত এই আধুনিক সাহিত্য পত্রিকাটি অনেক পরে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর লক্ষ্য ভিন্ন ছিল। D) শিখা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় আলোচিত উক্তিটি নীতিবাক্য হিসেবে মুদ্রিত থাকত। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিখা মানে আলো আর আলো মানুষকে মুক্তি দেয়, তাই মুক্তি ও বুদ্ধির সাথে শিখা নামটি মনে রাখবে। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল শিখা এবং এর মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও শিখা পত্রিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0