প্রশ্নের বর্ণনা

a নৌকাডুবি
b চোখের বালি
c যোগাযোগ
d শেষের কবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগাযোগ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত যোগাযোগ উপন্যাসের সূচনা অংশের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দার্শনিক বাক্য। - এখানে মানবজীবনের কোনো বড় ঘটনা বা পরিণতির পেছনে দীর্ঘ প্রস্তুতির নিগূঢ় সত্যটিকে প্রাত্যহিক জীবনের রূপকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যোগাযোগ উপন্যাসের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে। - এই উপন্যাসে ব্যক্তিমানুষের অহংকার এবং সমাজ কাঠামোর দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে মধ্যবিত্ত সমাজ ও পতিব্রতা নারীর মানসিকতার রূপায়ন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস যোগাযোগ এর কেন্দ্রীয় চরিত্র মধুসূদন ও কুমুদিনী। ব্যাখ্যা: এই দুই চরিত্রের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন এই উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ব্যাখ্যা: এটি যোগাযোগ উপন্যাসের ঠিক বিপরীত প্রকৃতির একটি গীতিধর্মী আধুনিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌকাডুবি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৬ সালে প্রকাশিত অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু ভুল বোঝাবুঝির কারণে দাম্পত্য জীবনের জটিলতা। B) চোখের বালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৩ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস এবং এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো মিল নেই। D) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯২৯ সালে প্রকাশিত একটি রোমান্টিক উপন্যাস যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড় কোনো ঘটনার পেছনে ছোট প্রস্তুতি বোঝাতে সলতে পাকানোর রূপকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার যোগাযোগ উপন্যাসে ব্যবহার করেছেন। - যোগাযোগ উপন্যাসের শুরুতেই এই দার্শনিক বাক্যটি থাকায় এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিখ্যাত উপন্যাসের বিখ্যাত প্রারম্ভিক বাক্য বা সংলাপ বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর প্রকাশের সন এবং প্রধান চরিত্রগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0