প্রশ্নের বর্ণনা

a শামসুর রাহমান
b শহীদ কাদরী
c নির্মলেন্দু গুণ
d সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নির্মলেন্দু গুণ ১. কেন সঠিক: - 'হুলিয়া' কবিতাটির রচয়ীতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আধুনিক কবি নির্মলেন্দু গুণ। - ষাটের দশকে রচিত এই কবিতাটি বাংলাদেশের রাজনীতি ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক অনন্য দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণআন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য কবি। - তাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষের আবেগ, দ্রোহ এবং রাজনীতির গভীর রূপায়ণ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'হুলিয়া' কবিতা ব্যাখ্যা: এটি নির্মলেন্দু গুণের একটি বহুল পঠিত ও বিখ্যাত কাব্যকবিতা। উদাহরণ ২: 'পাঞ্চজন্য' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটিও কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'হুলিয়া' কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। B) শহীদ কাদরী — ইনি নগরের যান্ত্রিকতা ও নাগরিক জীবনের কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'উত্তরাধিকার'। D) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার লেখক, তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'ছাড়পত্র'। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুণী মানুষের হুলিয়া জারি হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো হুলিয়া কবিতার কবি নির্মলেন্দু গুণ। - কবির নামের সাথে তাঁর দ্রোহী কবিতার সংযোগ স্থাপন করে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা ও কবির নাম প্রায়ই আসে। - নির্মলেন্দু গুণের জন্মস্থান নেত্রকোনা এবং তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা হলো 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো'।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0