প্রশ্নের বর্ণনা

a ফকির গরিবুল্লাহ্
b সৈয়দ হামজা
c আলাওল
d সাবিরিদ খান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ হামজা ১. কেন সঠিক: - ‘হাতেম তাই’ কাব্যের অনুবাদক হিসেবে মধ্যযুগের কবি সৈয়দ হামজা সর্বাধিক পরিচিত ও প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব। - পারস্যের দানবীর হাতেম তাইয়ের বদান্যতা ও জীবনকাহিনি অবলম্বনে তিনি এই কাব্যটি রচনা ও অনুবাদ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ হামজা অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি পুথি সাহিত্য ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। - তার জন্ম বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে এবং তিনি বাংলা কাব্যসাহিত্যে প্রণয়োপাখ্যান ও নৈতিক আখ্যান অনুবাদে মুনশিয়ানা দেখান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয়নবের চৌতিশা ব্যাখ্যা: এটি কবি সৈয়দ হামজার আরেকটি বিখ্যাত ও উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: আমির হামজা ব্যাখ্যা: কবি সৈয়দ হামজার আরেকটি জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্যধর্মী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির গরিবুল্লাহ্ — তিনি ‘আমির হামজা’ কাব্যের প্রণেতা হলেও ‘হাতেম তাই’ গ্রন্থের অনুবাদক নন। C) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও ‘হাতেম তাই’ রচনা করেননি। D) সাবিরিদ খান — তিনি মধ্যযুগের কবি হলেও তার রচনার তালিকায় ‘হাতেম তাই’ অন্তর্ভুক্ত নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাতেম তাই এবং আমির হামজা উভয় নামের মাধ্যমেই সৈয়দ হামজার সাহিত্যকর্ম মনে রাখা সহজ হয়। - হামজা নাম দিয়ে সৈয়দ হামজার প্রধান দুটি গ্রন্থ সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে পারস্যের প্রভাব ও কবিদের পরিচিতি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - কবি সৈয়দ হামজার সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0