প্রশ্নের বর্ণনা

a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
d বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত 'পদ্মাবতী' বা অন্যান্য দেশপ্রেমমূলক কবিতার ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত, বিশেষ করে তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যের বা 'স্বাধীনতা' বিষয়ক কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় চরণ এটি। - পঙ্ক্তিটিতে পরাধীনতার গ্লানি তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, স্বাধীনতা হীনতায় অর্থাৎ পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থেকে কে আর বাঁচতে চায়, বা বেঁচে থাকার কোনো সার্থকতা নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের যুগের একজন প্রথিতযশা কবি এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অনুগামী কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী' (১৮৫৮) এবং 'পলাশীর যুদ্ধ' (১৮৭৫) ঐতিহাসিক ও দেশপ্রেমের চেতনায় সমৃদ্ধ সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে কে বাঁচিতে চায়। ব্যাখ্যা: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের চেতনার সবচেয়ে উজ্জ্বল অভিব্যক্তি এই পঙ্ক্তি। উদাহরণ ২: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন। ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেমমূলক কবিতার অংশ, যা সাহিত্যের অন্য ধারার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট প্রবর্তন করলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে উপযুক্ত সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে। D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত গীতিকবি হলেও এই পঙ্ক্তিটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচতে চায় প্রশ্নটি দেখলেই রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে। - রঙ্গলাল মানেই দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতার ডাক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0