প্রশ্নের বর্ণনা

a সুফিয়া কামাল
b নির্মলেন্দু গুণ
c রফিক আজাদ
d শামসুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। - কবিতাটিতে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা অর্জনের প্রেক্ষাপটকে নান্দনিক ও রূপকূপের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি শামসুর রহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা কবিতার নগরজীবনের চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত। - ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি তাঁর ‘বন্দি শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শামসুর রহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অপর একটি বিখ্যাত কবিতা যা স্বাধীনতা অর্জনের ত্যাগ ও সংগ্রামকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: শামসুর রহমানের ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় বাংলা ভাষা ও একুশের চেতনার প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা ও ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকার নেত্রী হলেও ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘আজকের সৃষ্টিঘর’ ও ‘সাঁঝের মায়া’। B) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি হলেও ‘স্বাধীনতা তুমি’ তাঁর সৃষ্টি নয়, তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘হুলিয়া’ ও ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’। C) রফিক আজাদ — তিনি স্বনামধন্য কবি হলেও এই কবিতার লেখক নন, তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা ‘ভাত দে রাহার্দী’ বা ‘হাতে মাত্র কয়েকটি দিন’। D) শামসুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিই ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি রচনা করেছেন যা বাংলা কবিতায় অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রহমান মানেই বন্দি শিবির ও স্বাধীনতার রূপক গান, তাই ‘স্বাধীনতা তুমি’ পেলে চোখ বন্ধ করে শামসুর রহমানকে মনে রাখবে। - কবি শামসুর রহমানের নামের সঙ্গে ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতা দুটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত, তা প্রায়ই আসে (উত্তর: বন্দি শিবির থেকে)। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে পড়লে পরীক্ষাতে কমন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0