প্রশ্নের বর্ণনা

a শেখ নিয়ামত আলী
b জহির রায়হান
c সুভাষ দত্ত
d খান আতা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ নিয়ামত আলী ১. কেন সঠিক: - ‘সূর্য দীঘলবাড়ী’ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক যা ১৯৭৯ সালে মুক্তি পায়। - চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন শেখ নিয়ামত আলী ও মসিহউদ্দিন শাকের। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চলচ্চিত্রটি কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের বিখ্যাত ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়। - এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘ঘুঘুরী’ ব্যাখ্যা: এটি শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত আরেকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র। উদাহরণ ২: ‘দহন’ ব্যাখ্যা: এটিও শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত সমাজবাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত সিনেমা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ নিয়ামত আলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘সূর্য দীঘলবাড়ী’ চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচালক। B) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার হলেও এই চলচ্চিত্রের পরিচালক নন, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেওয়া’। C) সুভাষ দত্ত — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপ্রতিম পরিচালক হলেও ‘সূর্য দীঘলবাড়ী’ পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘অরুণ বরুণ কিরণমালা’। D) খান আতা — তিনি বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা হলেও এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন তৃষ্ণা’। ৫ মনে রাখার টিপস: - সূর্য দীঘলবাড়ী ছবির পরিচালক দুজন, যার মধ্যে শেখ নিয়ামত আলী অন্যতম একজন। - উপন্যাসটি আবু ইসহাকের আর চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন শেখ নিয়ামত আলী ও মসিহউদ্দিন শাকের। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের বিকল্প ধারার চলচ্চিত্রের সূচনা করে। - চলচ্চিত্রটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দুলারী সরকার ও ববিতা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0