প্রশ্নের বর্ণনা

a কায়কোবাদ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শামসুর রাহমান
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘সাতটি তারার তিমির’ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা, নিঃসঙ্গতা এবং যুদ্ধোত্তর সমাজের গভীর সংকট সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবি ও নির্জনতম কবি হিসেবে পরিচিত, যিনি রূপসী বাংলার চিত্রকল্পময় রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। - ‘সাতটি তারার তিমির’ ছাড়াও তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বনলতা সেন’, ‘ঝরাপলক’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ ও ‘মহাপৃথিবী’। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বনলতা সেন’ ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ এবং এই নামেই তাঁর একটি বিশ্ববিখ্যাত কবিতাও রয়েছে। উদাহরণ ২: ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন মহাকাব্য রচয়িতা, তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম ‘মহাশ্মশান’। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘অগ্নিবীণা’ ও ‘বিষের বাঁশি’। C) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক কালের প্রখ্যাত নাগরিক কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তাঁর তিমিরে সাতটি তারা জ্বলত এবং বনলতা সেন ধূসর পাণ্ডুলিপি পড়তেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং নাম প্রায়ই আসে, তাই তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0