প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d প্রমথ চৌধুরী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যর প্রথম চলিত রীতির মুখপত্র হিসেবে পরিচিত পত্রিকা। প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। - ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে বৈশাখ মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে এটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামের সাহিত্যিক। তিনি বাংলা গদ্যে ফরাসি কথ্যরীতির প্রভাব নিয়ে আসেন। - বাংলা সাহিত্য জগতে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা কেন্দ্র করেই মূলত একটি শক্তিশালী বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাহিত্যিক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকার নিয়মিত লেখক ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় প্রমথ চৌধুরীর রম্যরচনা সংকলন যা চলিত ভাষায় লেখা। উদাহরণ ২: ‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যিক তথ্যের আরেকটি উদাহরণ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন যা উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ মাধ্যম। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বহু সংস্কারমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ‘সোমপ্রকাশ’ বা অন্যান্য সংস্কারমূলক কাজের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজ রঙের পাতা অর্থাৎ সবুজপত্র দেখলে প্রমথ চৌধুরীর বীরবল ছদ্মনামটি মনে রাখবে। - প্রমথ চৌধুরী মানেই চলিত রীতি এবং সবুজপত্র পত্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। - এই ধরনের পত্রিকাভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0