প্রশ্নের বর্ণনা

a 1909
b 1910
c 1914
d 1921
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: - ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে (বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। - প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতিনীতি প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘সবুজ পত্র’ বাংলা সাহিত্যর প্রথম মননশীল পত্রিকা এবং বাংলা চলিত রীতির বাহন হিসেবে পরিচিত। - এই পত্রিকার প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন প্রমথ চৌধুরী, যাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত অনেক লেখা এই পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর লেখা প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সন্দেশ’ ও ‘বীরবলের হালখাতা’। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থগুলো ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকার ভাবাদর্শ ও চলিত ভাষারীতি অনুসরণে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চতুরঙ্গ’ ও ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত উপন্যাস দুটি প্রথম ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভবে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে ‘সবুজ পত্র’ প্রকাশিত হয়নি এবং এটি এই প্রশ্নের সঠিক কাল নয়। B) ১৯১০ — এই সালে ‘সবুজ পত্র’ প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল একটি সাল। C) ১৯১৪ — এটি সঠিক সাল, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) ১৯২১ — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু ‘সবুজ পত্র’ এর প্রকাশকাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজ পাতার সংখ্যা বা গাছের ডাল মনে রাখতে পারো এভাবে যে, ১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখে (১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে) সবুজ পত্রের জন্ম হয়। - প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনা এবং চলিত রীতির সঙ্গে ১৯১৪ সাল মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকাটির সম্পাদক এবং প্রকাশের সন বারবার আসে। - চলিত রীতির প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী ও তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজ পত্র’ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষণে দেখা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0