প্রশ্নের বর্ণনা

a চণ্ডীদাস
b বিবেকানন্দ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত পদকর্তা চণ্ডীদাসের রচনা। - মানবতাবাদের মূল সুর প্রকাশ করতে এই পঙক্তিটি ব্যবহৃত হয়েছে যেখানে মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই তা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম আদি কবি হলেন চণ্ডীদাস। - মধ্যযুগে মানুষের জয়গান গেয়ে মানবধর্মের কথা প্রচার করার ক্ষেত্রে তাঁর এই বাণী সর্বাধিক পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোচনের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন বসন্তকুমার রঞ্জন রায়। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের সাহিত্য ও চণ্ডীদাসের রচনা সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি মৈথিল কোকিল নামে পরিচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর পদ অত্যন্ত জনপ্রিয়। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেক পদকর্তা বিদ্যাপতির সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে এটি সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মধ্যযুগের মানবতাবাদী কবি হিসেবে এই অমর বাণী প্রদান করেছেন। B) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের একজন বিখ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক ও দার্শনিক হলেও এই প্রাচীন পঙক্তির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক যুগের সাম্যবাদী কবি হলেও এই চরণের রচয়িতা নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ হলেও এই মধ্যযুগীয় উদ্ধৃতির স্রষ্টা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবার উপরে মানুষ সত্য এই বিখ্যাত মানবতাবাদী বাণীটি মনে রাখার জন্য মধ্যযুগের পদকর্তা চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখতে হবে। - মধ্যযুগের সাহিত্যের প্রশ্নে মানবধর্মের কথা এলেই চণ্ডীদাসের নাম প্রথম আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে এবং এর প্রবক্তা হিসেবে চণ্ডীদাসের নাম উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করতে হয়। - মধ্যযুগের সাহিত্যিকদের বিখ্যাত পঙক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0