প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালের ৩১ জানুয়ারি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং তিনিই এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। - প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক রূপ লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি ‘যুগসন্ধিক্ষণের কবি’ হিসেবে সমাদৃত। - তাঁর সম্পাদনায় সংবাদ প্রভাকরের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের অনেক প্রতিভাবান লেখক যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রাচীন ও নতুন যুগের সেতুবন্ধ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: তপোবন ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্য ও কবিতার আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং ‘ধূমকেতু’ ও ‘লাঙ্গল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন আধুনিক সাংবাদিকতার উদীয়মান সূর্য। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা এবং তাদের সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - সংবাদ প্রভাকর হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম দৈনিক পত্রিকা যার সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0