প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b নজরুল ইসলাম বাবু
c গোবিন্দ হালদার
d আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নজরুল ইসলাম বাবু ১. কেন সঠিক: - ‘সব কটা জানালা খুলে দাও’ গানটির গীতিকার ও সুরকার হলেন নজরুল ইসলাম বাবু। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গানটি প্রথম প্রচারিত হয়। - গানটির কথা ও সুর এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যা মুক্তিযোদ্ধাদের মনে তীব্র দেশপ্রেম ও অনুপ্রেরণা জাগাত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নজরুল ইসলাম বাবু বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন বাংলা গানে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও আবেগময় দেশাত্মবোধক গান হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা’ ব্যাখ্যা: এটিও নজরুল ইসলাম বাবুর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: ‘সব মানুষের দেশে’ ব্যাখ্যা: এটিও নজরুল ইসলাম বাবুর রচিত উল্লেখযোগ্য একটি গান যা মানুষের মনে গভীর দাগ কেটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি হলেও এই গানটির সুরকার নন। তাঁর রচিত গান অন্য ধারার বিদ্রোহী ও প্রেমের গান হিসেবে পরিচিত। C) গোবিন্দ হালদার — তিনি বিখ্যাত ‘মোরা একটি নদী দুটি ফুল আর এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ গানটির গীতিকার। তবে তিনি এই গানটির সুরকার নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের একজন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার। তিনি ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ সহ বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিলেও এই গানটির সুরকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - জানালা খুলে বাবুকে ডাকো, এই কথাটি মনে রাখলে গানটির সুরকার নজরুল ইসলাম বাবুকে সহজে মনে রাখা সম্ভব। - দেশাত্মবোধক গান ও গীতিকার মনে রাখার সময় গান এবং শিল্পীর নাম জোড়ায় জোড়ায় পড়া উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গানগুলোর গীতিকার ও সুরকার প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানগুলোর গীতিকার ও সুরকার আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0