প্রশ্নের বর্ণনা

a বলাকা
b সোনার তরী
c চিত্রা
d পুনশ্চ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বলাকা ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বলাকা কাব্যের অন্তর্গত শাহজাহান কবিতার অংশবিশেষ। - ঝিলম নদীর বাঁক এবং তার সৌন্দর্য এই কবিতার মূল পটভূমি হিসেবে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - বলাকা কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় যা মূলত গতিশীলতা ও পরিবর্তনের প্রতীকী ভাবনায় সমৃদ্ধ একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চল চরণ চলে না রে ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বলাকা কাব্যের একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা গতির জয়গান গায়। উদাহরণ ২: ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যের অন্তর্গত কবিতায় গতির উন্মাদনা প্রকাশের একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃত পঙক্তিটি এই কাব্য থেকেই নেওয়া হয়েছে। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী কাব্যগ্রন্থ যাতে এই পঙক্তি নেই। C) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত কাব্য যার মধ্যে জীবনদেবতা ভাবনার কবিতা রয়েছে কিন্তু এই পঙক্তি নেই। D) পুনশ্চ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯৩২ সালে প্রকাশিত একটি গদ্যকবিতার সংকলন যা এই কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঝিলম নদীর স্রোতের বাঁকা রূপ এবং গতির কথা বলাকা কাব্যের কবিতাতেই পাওয়া যায়। - বলাকা মানেই গতি, আর ঝিলমের স্রোতও গতির প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বলাকা কাব্য থেকে বিভিন্ন পঙক্তি প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়। - কাব্যগ্রন্থের প্রকাশের সাল এবং মূল ভাব মনে রাখলে সহজেই এ ধরনের প্রশ্ন সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0