প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b শামসুদদীন আবুল কালাম
c খান মুহাম্মদ মইনুউদ্দিন
d মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ১. কেন সঠিক: - ‘সওগাত’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন। - ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই বিখ্যাত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। - তাঁর সম্পাদনায় ‘সওগাত’ পত্রিকা বাংলা মুসলিম সমাজ ও সামগ্রিক বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রসারে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বেগম’ পত্রিকা ব্যাখ্যা: নারীদের সাহিত্যচর্চা ও অধিকার আদায়ে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন ১৯২০ সালে ‘সওগাত’ পত্রিকার পাশাপাশি ‘বেগম’ পত্রিকাও প্রকাশ করেছিলেন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘সওগাত’ পত্রিকাতেই বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি ‘সওগাত’ পত্রিকার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং এই পত্রিকায় তাঁর বহু লেখা প্রকাশিত হলেও তিনি এর সম্পাদক ছিলেন না। B) শামসুদদীন আবুল কালাম — তিনি একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) খান মুহাম্মদ মইনুউদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, কিন্তু তিনি ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। D) মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘সওগাত’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘকালীন সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘সওগাত’ মানে উপহার বা উপঢৌকন, আর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন বাংলা সাহিত্যকে এই পত্রিকার মাধ্যমে এক অমূল্য উপহার দিয়েছিলেন। - নাসিরউদ্দিন ও সওগাত উভয় শব্দের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে ‘না-স’ সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম দেখলেই সম্পাদকের সঙ্গে মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে যেন পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি না হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0