প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাচীন যুগ
b মধ্যযুগ
c আধুনিক যুগ
d প্রাগৈতিহাসিক যুগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যযুগ ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি বা প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ব্যাপ্তিকাল হলো ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এই সময়ের গোড়ার দিকে রচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। - রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এই কাব্যটি মূলত নাটকীয় কথোপকথন নির্ভর একটি গীতকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত কাব্য হলো বৈষ্ণব পদাবলি। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা বিষয়ক একটি অমর সৃষ্টি। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে আরও উল্লেখ করা যায় মঙ্গালকাব্য ধারার মনসামঙ্গল। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতির এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগ — প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রাচীন যুগের অংশ নয়। B) মধ্যযুগ — এটি সঠিক উত্তর। C) আধুনিক যুগ — আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮০১ সাল থেকে এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন তার অনেক আগের নিদর্শন। D) প্রাগৈতিহাসিক যুগ — বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলে কোনো পর্যায় নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের প্রথম বই বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, আর প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। - যুগ বিভাজনের এই সরল পার্থক্য মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারক ও রচয়িতার নাম বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের সাহিত্যকর্ম এবং তাদের আবিষ্কারকদের নাম তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0