প্রশ্নের বর্ণনা

a চণ্ডীদাস
b বড়ু চণ্ডীদাস
c দ্বিজ চণ্ডীদাস
d দীন চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একমাত্র প্রাপ্ত পুথির ভনিতায় রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাস নামটি পাওয়া যায়। - এই কাব্যের পুথির ভনিতায় অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস বা শুধু বড়ু চণ্ডীদাস নাম ব্যবহারের মাধ্যমে তাঁর স্বকীয়তা প্রমাণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক প্রথম কাব্য। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব3র্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত নাটকীয় সংলাপধর্মী একটি গীতকাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই এই তিনটি প্রধান চরিত্রের কথোপকথন ও নাটকীয় প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের পর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলোর একটি। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে এই কাব্য বাংলা সাহিত্যের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবি ছিলেন এবং পদাবলীতে তাদের ভনিতা পাওয়া যায়, তাই নির্দিষ্ট করে শুধু চণ্ডীদাস বলা ভুল। B) বড়ু চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাব্যের ভনিতায় সুনির্দিষ্টভাবে বড়ু চণ্ডীদাসের নাম উল্লেখ রয়েছে। C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস মধ্যযুগের অন্য একজন কবি যিনি শাক্ত পদাবলি বা ভিন্ন ধারার রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস নামেও একজন পদাবলী রচয়িতা কবি ছিলেন যিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড়ু চণ্ডীদাস মানেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। - পরীক্ষার হলে চণ্ডীদাসের বিভিন্ন নামের মধ্যে বড়ু চণ্ডীদাস থাকলে সেটিই প্রথম নিদর্শন হিসেবে টিক দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথিটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কৃত হয়। - এই কাব্যের মোট খণ্ডের সংখ্যা তেরোটি এবং এটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0