প্রশ্নের বর্ণনা

a আপেল মাহমুদ
b মুকুন্দ দাস
c গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার
d গোবিন্দ হালদার
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার ১. কেন সঠিক: - 'শোনো একটি মুজিবের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি' গানটির রচয়িতা বিখ্যাত গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার। - এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং মুক্তিকামী বাঙালির মনে দারুণ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার বাংলা আধুনিক গান ও চলচ্চিত্রের গানের এক কিংবদন্তি গীতিকার। - তার লেখা এই গানটিতে ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোর ঐতিহাসিক ও আবেগঘন চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মােদের গরব মােদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা' ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেন রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত বিখ্যাত একটি দেশাত্মবোধক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আপেল মাহমুদ — তিনি এই গানটির সুরকার ও অন্যতম শিল্পী হলেও রচয়িতা নন। B) মুকুন্দ দাস — তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময়কার বিখ্যাত চারণকবি ও পালাকার ছিলেন। D) গোবিন্দ হালদার — তিনি 'রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি' এবং 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে' গানগুলোর রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - গান লেখার ক্ষেত্রে গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করার ক্ষেত্রে আপেল মাহমুদ ও অংশ নেওয়ার বিষয়টি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - গীতিকার মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে ছন্দ তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গান ও তার রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিখ্যাত গানগুলোর গীতিকার ও সুরকার আলাদা করে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0