প্রশ্নের বর্ণনা

a কবিতা
b নাটক
c প্রবন্ধ
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'শেষের কবিতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও অনন্য গদ্যশিল্পকর্ম যার নাম কবিতা হলেও এটি আসলে একটি উপন্যাস। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন বাংলা সাহিত্যের অমর প্রেম ও মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে সমাদৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রচলিত সমাজ ও প্রেমের ধারণার বিরুদ্ধে এক শৈল্পিক বিদ্রোহ ফুটিয়ে তুলেছেন এবং এর মধ্য দিয়ে তিনি আধুনিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'চোখের বালি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারা উন্মোচনকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি। উদাহরণ ২: 'গোরা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৃহত্তম সামাজিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ব্রিটিশ ভারতীয় সমাজের স্বাদেশিকতা ও জাতীয়তাবাদের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা — নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা ছন্দোবদ্ধ কবিতা নয়, বরং গদ্যে রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি উপন্যাস। B) নাটক — এটি কোনো দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী নাটক নয়, যদিও এর সংলাপ অত্যন্ত কাব্যিক ও নাটকীয় গুণসম্পন্ন। C) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল গবেষণামূলক বা তথ্যমূলক প্রবন্ধ নয়, বরং একটি কাল্পনিক কাহিনীর ওপর প্রতিষ্ঠিত প্রেমের উপন্যাস। D) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট গদ্য উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে কবিতা হলেও আসলে এটি উপন্যাস, এই মজার কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্যর নাম সবসময় মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে শেষের কবিতা কী ধরনের রচনা, তাই নাম দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ও শেষ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0