প্রশ্নের বর্ণনা

a রামাই পণ্ডিত
b শ্রীকর নন্দী
c বিজয় গুপ্ত
d লোচন দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামাই পণ্ডিত ১. কেন সঠিক: - শূন্যপুরাণ গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ধর্মমঙ্গল কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি রচনা করেছেন রামাই পণ্ডিত। - শূন্যপুরাণ মূলত ধর্মপূজা পদ্ধতির নির্দেশিকা এবং এতে বৌদ্ধ ধর্মের অবক্ষয় ও নাথ সংস্কৃতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামাই পণ্ডিত ধর্মপূজা বা ধর্মঠাকুরের উপাসনার প্রবর্তক এবং শূন্যপুরাণের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত লাভ করেছেন। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে শূন্যপুরাণ আনুমানিক দ্বাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত প্রাচীন বাংলা গদ্য ও পদ্যের এক মিশ্র রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরঞ্জনের রুষা ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি শূন্যপুরাণ গ্রন্থের একটি বিখ্যাত অংশ যেখানে গৌড়ের সুলতানের অত্যাচার ও হিন্দু দেবদেবীদের পতন সম্পর্কে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ধর্মপূজাবিধান ব্যাখ্যা: রামাই পণ্ডিত রচিত এই গ্রন্থটি ধর্মঠাকুরের পূজার আচার ও মন্ত্রের বিবরণ সম্বলিত যা শূন্যপুরাণ রচনার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শূন্যপুরাণ গ্রন্থের মূল রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত। B) শ্রীকর নন্দী — তিনি মহাভারতের অশ্বমেধ পর্বের অনুবাদক এবং বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলাকাব্যের ধারার সঙ্গে যুক্ত নন। C) বিজয় গুপ্ত — তিনি মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ্মপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা যার সঙ্গে শূন্যপুরাণের কোনো সম্পর্ক নেই। D) লোচন দাস — তিনি বৈষ্ণব পদকর্তা এবং চৈতন্যমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত রচয়িতা যার আলোচ্য বিষয় বৈষ্ণব ধর্ম ও দর্শন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শূন্য হাতে পণ্ডিত রামাই শূন্যপুরাণ লিখলেন। এই কৌশলটি মনে রাখলে লেখকের নাম সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শূন্যপুরাণ কোন ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এটি বৌদ্ধ ধর্মের প্রাকৃত রূপ ও ধর্মঠাকুরের পূজার সঙ্গে জড়িত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0