প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২৫ সালে
b ১৯২৭ সালে
c ১৯১১ সালে
d ১৯৬৪ সালে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৭ সালে ১. কেন সঠিক: - ‘শিখা’ পত্রিকা ১৯২৭ সালের মার্চ মাসে (বাংলা ১৩৩৪ সালের চৈত্র মাসে) প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে বিশেষ পরিচিত লাভ করেছিল। - এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। এটি বাঙালি মুসলিম সমাজে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার আন্দোলন গড়ে তোলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘শিখা’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন। তবে এর নেপথ্যে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন কাজী মোতাহের হোসেন, কাজী নজরুল ইসলামসহ মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যান্য বুদ্ধিজীবী। - বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলন বা মুক্তচিন্তার বিকাশ সাধনে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারা সৃষ্টিতে এই পত্রিকার অবদান অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুসলিম সাহিত্য সমাজ ব্যাখ্যা: এটি ১৯২৬ সালে গঠিত একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন, যার মুখপত্র ছিল ‘শিখা’ পত্রিকা। উদাহরণ ২: শিখা পত্রিকার স্লোগান ব্যাখ্যা: জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। এটি মুক্তবুদ্ধি চর্চার মূল ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৫ সালে — এই সালে শিখা পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯২৭ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই শিখা পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। C) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়েছিল, শিখা প্রকাশের সাল এটি নয়। D) ১৯৬৪ সালে — এই সালটি শিখা পত্রিকার প্রকাশের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিখা পত্রিকার প্রকাশসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে এটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘সঞ্চিতা’ গ্রন্থ প্রকাশের ঠিক পরের বছর (১৯২৭ সালে) প্রকাশিত হয়েছিল। - বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত সাল হলো ১৯২৭ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘শিখা’ পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশকাল এবং এর স্লোগান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - পত্রিকার স্লোগানটি কার বা কোন পত্রিকার, তা ভালোভাবে মনে রাখবে কারণ এটি বিসিএস পরীক্ষায় একাধিকবার এসেছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0