প্রশ্নের বর্ণনা

a চট্টগ্রাম
b সিলেট
c ময়মনসিংহ
d নোয়াখালী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নোয়াখালী ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে নোয়াখালী অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজজীবনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। - এই উপন্যাসের ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে নোয়াখালী অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষার প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাসের এক অনন্য স্রষ্টা। - 'লালসালু' তাঁর প্রথম ও বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ অন্ধবিশ্বাস ও শোষণের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর'। ব্যাখ্যা: এই নাটকটিতেও গ্রামীণ সমাজের সংস্কার ও মানুষের মানসিকতার নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এই অঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের পটভূমির মিল নেই। B) সিলেট — সিলেটের ভৌগোলিক ও সামাজিক পরিবেশ লালসালু উপন্যাসে ফুটিয়ে তোলা হয়নি। C) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসাহিত্য বা জীবনযাত্রা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু নয়। D) নোয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসের মূল চরিত্র মজিদ ও এখানকার গ্রামীণ পরিবেশ নোয়াখালী অঞ্চলের আদলে গড়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাসের পটভূমি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে মজিদ চরিত্রটি নোয়াখালী অঞ্চল থেকে এসে অন্য এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছিল। - লেখকের প্রথম উপন্যাস লালসালু প্রকাশের সাল ১৯৪৮ এবং এর প্রধান চরিত্র মজিদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লালসালু উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং এর রচিয়তা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগ এবং উপন্যাসের মূল থিম ভালো করে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0