প্রশ্নের বর্ণনা

a মুনীর চৌধুর
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
d শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ‘লাল সালু’ বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা এবং ভণ্ড পীরের স্বরূপ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার অন্যতম প্রবক্তা ও আধুনিক কথাসাহিত্যিক। - ‘লাল সালু’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে এবং এটি বাংলা উপন্যাসের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে অপরাধবোধ ও নৈতিকতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর তৃতীয় ও শেষ উপন্যাস যা নদীর সঙ্গে মানুষের অস্তিত্বের সম্পর্ক নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুর — ইনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও ‘লাল সালু’ উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর। C) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। D) শওকত আলী — ইনি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও ‘লাল সালু’ উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ালীউল্লাহর মাত্র তিনটি প্রধান উপন্যাস রয়েছে। প্রথম উপন্যাস ‘লাল সালু’ (১৯৪৮), এরপর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ (১৯৫৯) এবং ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৪)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘লাল সালু’ উপন্যাসের প্রকাশকাল (১৯৪৮) এবং এর প্রধান চরিত্র মজিদ ও খালেক ব্যাপারী বারবার আসে। - বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে আঞ্চলিকতা ও মনস্তত্ত্বের মিশ্রণ বুঝতে এই উপন্যাসটি বারবার অধ্যয়ন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0