প্রশ্নের বর্ণনা

a জাহানারা ইমাম
b হাসান ইমাম
c মেজর রফিকুল ইসলাম
d হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেজর রফিকুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যার রচয়িতা বীর উত্তম মেজর রফিকুল ইসলাম। - এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং তৎকালীন ঐতিহাসিক ঘটনাবলী প্রামাণ্য দলিল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মেজর রফিকুল ইসলাম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন এবং সাহসিকতার জন্য বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য সাহিত্য ও স্মৃতিকথা ধারার বইগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত প্রামাণ্য ও পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা। উদাহরণ ২: 'আগস্ট মাসের এক দিন' ব্যাখ্যা: এটি মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত কিশোর উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — এই লেখক 'একাত্তরের দিনগুলি' গ্রন্থের রচয়িতা, 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' বইটির লেখক নন। B) হাসান ইমাম — এই বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও অভিনেতা ১৯৭১ সালের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে এই বইটির লেখক নন। C) মেজর রফিকুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থের লেখক। D) হুমায়ূন আহমেদ — এই কথাসাহিত্যিক 'আগুনের পরশমনি' ও 'শ্যামল ছায়া'র মতো উপন্যাস লিখলেও 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' বইটির লেখক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মেজর সাহেবরা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং রফিকুল ইসলাম যুদ্ধ নিয়ে 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' বই লিখেছেন। এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ ও আত্মজীবনীমূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - লেখকের নাম এবং গ্রন্থের নাম একসঙ্গে মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0