প্রশ্নের বর্ণনা

a বুদ্ধদেব বসু
b সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
c অমিয় চক্রবর্তী
d জীবনানন্দ দাশ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার নির্জনতম কবি জীবনানন্দ দাশ। - এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ, ইতিহাস ও ঐতিহ্য গভীর মমত্ববোধের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার পরাবাস্তব ও প্রকৃতির রূপকার হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত একজন কবি। - ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হলেও তিনি এটি লিখেছিলেন ১৯৩৪ সালের দিকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝরা পালক ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যেখানে যুদ্ধ ও সংকটের পটভূমি ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি তিরিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হলেও ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যটি তার লেখা নয়। B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি তিরিশের দশকের বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধ্রুপদী ধারার কবি, তবে ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক ধারার একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক, কিন্তু এই কাব্যটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নে চাওয়া কবির নামের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলার রূপ যিনি নিভৃতে দেখেছেন, সেই জীবনানন্দ দাশের অমর সৃষ্টি হলো ‘রূপসী বাংলা’। - কবির নামের সঙ্গে বাংলার নিসর্গের মেলবন্ধন দিয়েই কাব্যটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মৃত্যুর পর প্রকাশিত হওয়ায় ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশকাল ও লেখকের নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0