প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c বুদ্ধদেব বসু
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার নির্জনতম কবি জীবনানন্দ দাশ। - এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ, সৌন্দর্য এবং তার বিপন্ন ইতিহাস ও ঐতিহ্য অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - ১৯২৭ সালে রচিত হলেও তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝরা পালক ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কবিতায় এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশি অন্যতম। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট গীতিকবি, যাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ সাধের প্রসূতি। C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক, যিনি ত্রয়ী যুগের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত নিসর্গভিত্তিক কাব্যগ্রন্থের নাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপ এবং রূপের জাদুকর জীবনানন্দ দাশ। - মনে রাখার কৌশল হিসেবে ভাবা যায়, যিনি বাংলাকে এত রূপময় করে দেখেছেন, তিনিই রূপসী বাংলার কবি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং মৃত্যুপরবর্তী প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবিদের ছদ্মনাম বা উপাধি যেমন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ, ভোরের পাখি বিহারীলাল চক্রবর্তী - এসব তথ্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0