প্রশ্নের বর্ণনা

a রঙ্গলাল সেন
b জসীমউদদীন
c আল মাহমুদ
d গোবিন্দ দাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জসীমউদদীন ১. কেন সঠিক: - ‘রাখালী’ হলো পল্লীকবি জসীমউদদীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি, মানুষের সহজ সরল জীবন এবং লোকজীবনের রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদদীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর কবিতায় মাটি ও মানুষের গন্ধ মিশে থাকে এবং বাংলার লোকসংস্কৃতি ও রূপ রস খুব নিখুঁতভাবে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদদীন রচিত একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা বিশ্বসাহিত্যের দরবারেও উচ্চ প্রশংসা লাভ করেছে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদদীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রঙ্গলাল সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও ‘রাখালী’ কাব্যটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্য হলো পদ্মাবতী ও কর্মদেবী। B) জসীমউদদীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। C) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও ‘রাখালী’ কাব্যটির রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কাব্য লোকালয় ও সোনালী কাবিন। D) গোবিন্দ দাস — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন গীতিকবি হলেও ‘রাখালী’ কাব্যের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসীমউদদীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রাখালী’। - কবির নামের সাথে ‘রাখালী’ কাব্যটি মনে রাখতে গ্রামীণ রাখাল বালকের ছবি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি জসীমউদদীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত কাব্যগুলো প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ যেমন বালুচর, ধানক্ষেত ও মাটির কান্না সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0