প্রশ্নের বর্ণনা

a হাসান হাফিজুর রহমান
b জহির রায়হান
c শহিদুল্লাহ কায়সার
d আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যার রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের অসহযোগ ও প্রতিরোধ আন্দোলন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আনোয়ার পাশা একাধারে একজন প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী বুদ্ধিজীবী নিধনের অংশ হিসেবে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং এই উপন্যাসটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত ‘যাঁরা নদী মরুপথে’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও সময়কাল ঐতিহাসিক বাস্তবতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত ‘জননী’ উপন্যাসটি বাঙালি গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা উপন্যাসে সামাজিক বাস্তববাদের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি একুশে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক হিসেবে পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার যিনি ‘আরেক ফাল্গুন’ ও ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের রচয়িতা। C) শহিদুল্লাহ কায়সার — তিনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক যিনি ‘সারেং বউ’ ও ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের রচয়িতা। D) আনোয়ার পাশা — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাইফেল কাঁধে শিক্ষক আনোয়ার পাশা লিখেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস। - এভাবে লেখকের পেশা ও উপন্যাসের বিষয়বস্তু মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস এবং এর রচয়িতাকে নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলোর নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে পড়ে রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0