প্রশ্নের বর্ণনা

a আব্দুল হাকিম
b শেখ চাঁদ
c মীর মোহাম্মদ শফী
d জৈনুদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেখ চাঁদ ১. কেন সঠিক: - ‘রসুল বিজয়’ একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের কাব্য এবং এর রচয়িতা হলেন কবি শেখ চাঁদ। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে নবী জীবনী ও ইসলাম প্রচারের কাহিনি নিয়ে এই কাব্যটি রচিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ চাঁদ মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি সপ্তদশ শতকে আবির্ভূত হন। - তাঁর রচিত ‘রসুল বিজয়’ কাব্যটি মুসলিম পুথি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন ও নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জৈনুদ্দীন রচিত ‘রসুল বিজয়’ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে একই নামে বা কাছাকাছি বিষয়ে একাধিক কবি কাব্য রচনা করেছিলেন, যার মধ্যে জৈনুদ্দীন অন্যতম। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতান রচিত ‘নবীবংশ’ ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের নবী জীবনী ও ইসলামি ইতিহাসভিত্তিক একটি বিখ্যাত ও পরিচিত কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল হাকিম — আব্দুল হাকিম মধ্যযুগের একজন স্বনামধন্য কবি হলেও তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘নূরনামা’, ‘রসুল বিজয়’ নয়। B) শেখ চাঁদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘রসুল বিজয়’ কাব্যের রচয়িতা হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে স্বীকৃত। C) মীর মোহাম্মদ শফী — মীর মোহাম্মদ শফী মধ্যযুগের কবি নন এবং তাঁর কোনো বিখ্যাত ‘রসুল বিজয়’ কাব্য নেই। D) জৈনুদ্দীন — জৈনুদ্দীন ‘রসুল বিজয়’ কাব্য রচনা করলেও এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সাহিত্যিক তথ্যের জন্য শেখ চাঁদই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের আলো যেমন চারিদিকে বিজয় আনে, তেমনি শেখ চাঁদ লিখেছেন ‘রসুল বিজয়’ কাব্যটি। - মধ্যযুগের ইসলামি সাহিত্যের কবিদের নাম ও তাদের গ্রন্থগুলো একটি ছক করে পড়লে সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বিভিন্ন কবির কাব্যগ্রন্থের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই নামের গ্রন্থ একাধিক কবি লিখলে কোন কবি কোন যুগের বা কোন অঞ্চলের, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0