প্রশ্নের বর্ণনা

a পানিপথের যুদ্ধ
b সিপাহী বিদ্রোহ
c কৃষক বিগ্রোহ
d পলাশীর যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পানিপথের যুদ্ধ ১. কেন সঠিক: -াক্ত প্রান্তর নাটকের মূল পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধের ভয়াবহতা, রক্তপাত এবং মানবজীবনের ট্র্যাজেডি নাটকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ঐতিহাসিক এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং যুদ্ধবিরোধী বার্তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের রচয়িতা প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক নাটক। - নাটকটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে এবং এর মূল বিষয়বস্তু হলো যুদ্ধবিরোধী চেতনা ও মানবপ্রেম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত মুনীর চৌধুরীর আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত নাটক। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওলের কাকতাড়ুয়া উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানিপথের যুদ্ধ — এটি নাটকের সঠিক পটভূমি এবং ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে যায়। B) সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ১৮৫৭ সালের ঘটনা, যা এই নাটকের পটভূমি নয়। সি) কৃষক বিদ্রোহ — এটি বাংলার বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হলেও এই নাটকের বিষয়বস্তু নয়। D) পলাশীর যুদ্ধ — এটি ১৭৫৭ সালের ঐতিহাসিক যুদ্ধ, যার সঙ্গে রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত এটি মনে রাখতে প্রান্তর শব্দটির সঙ্গে পানিপথের প্রান্তর মিলিয়ে নিতে পারো। - নাট্যকার মুনীর চৌধুরী যুদ্ধ পছন্দ করতেন না, তাই তিনি পানিপথের যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে এই নাটক লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের রচয়িতা এবং পটভূমি প্রায়ই আসে। - ঐতিহাসিক পটভূমির নাটকগুলো পড়ার সময় লেখকের নাম এবং মূল ঐতিহাসিক ঘটনা মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0