প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b মাইকেল মধুদূদন দত্ত
c ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
d কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তিনি প্রাচীন যুগের অবসান এবং আধুনিক যুগের সূচনার মধ্যবর্তী সময়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার কবিতায় মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের আবেশ এবং আধুনিক যুগের সমাজ সচেতনতা ও স্বদেশপ্রেম উভয় বৈশিষ্ট্যের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৫৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা সংবাদপত্রে গদ্য ও পদ্য চর্চার এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে খ্যাত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকা সংবাদ প্রভাকর। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৩১ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: কবিওয়ালা ও পাঁচালি গান নিয়ে তার গবেষণা ও প্রকাশনা। ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ধারার কবিওয়ালাদের জীবনী ও গান সংগ্রহ করে আধুনিক যুগে সংরক্ষণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত, কোনো যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। D) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা মহাকাব্য ধারার একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: যুগসন্ধিক্ষণ শব্দের সাথে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নামটি যুক্ত করতে মনে রাখবে যে তিনি প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণে সেতু বন্ধন তৈরি করেছিলেন। সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদকের নাম মনে রাখলেই তাকে চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিক্ষণের কবি কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সংযোগ স্থাপনকারী সাহিত্যিক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0