প্রশ্নের বর্ণনা

a বিমল কর
b বিমল মিত্র
c বিনয় মুখোপাধ্যায়
d বুদ্ধদেব বসু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিনয় মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'যাযাবর' হলো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক বিনয় মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছদ্মনাম। - বাংলা সাহিত্যে এই ছদ্মনামে তিনি অসাধারণ সব রম্যরচনা ও মননশীল প্রবন্ধ উপহার দিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিনয় মুখোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত লেখক ও রম্যকার। - তার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং অমর সাহিত্যকর্ম হলো দৃষ্টিপাত, যা এই ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়ে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৃষ্টিপাত ব্যাখ্যা: এটি যাযাবর ছদ্মনামে লেখা বিনয় মুখোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাসধর্মী গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সত্য সত্যই ব্যাখ্যা: এটিও যাযাবর ছদ্মনামে রচিত বিনয় মুখোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মননশীল সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিমল কর — ইনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর কোনো সুপরিচিত ছদ্মনাম 'যাযাবর' নয়। B) বিমল মিত্র — ইনি বহু জনপ্রিয় উপন্যাসের রচয়িতা হলেও 'যাযাবর' ছদ্মনামটি তাঁর নয়, তিনি সাহেব বিবি গোলাম উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। C) বিনয় মুখোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'যাযাবর' ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করেছেন। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর প্রধান ছদ্মনাম ভনিতা বা অন্য কিছু ছিল, 'যাযাবর' নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যাযাবর মানে যে ঘুরে বেড়ায়, আর বিনয়ী মানুষ সাধারণত সবার মন জয় করে ঘুরে বেড়ায়, তাই বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যাযাবর। - বিখ্যাত গ্রন্থ 'দৃষ্টিপাত' এর লেখক হিসেবে যাযাবর বা বিনয় মুখোপাধ্যায়ের নাম বারবার পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন বনফুলের আসল নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। - লেখকের ছদ্মনাম ও তাদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0