প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সঞ্জীবচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
c কাজী নজরুল ইসলাম
d রামমোহন রায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো মৃত্যুক্ষধা উপন্যাসটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এই উপন্যাসে ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হওয়া কলকাতার বস্তি জীবনের দরিদ্র মানুষের ক্ষুধা ও মৃত্যুর লড়াই অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু প্রগতিশীল উপন্যাসও রচনা করেছেন। - মৃত্যুক্ষধা উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন সংগ্রাম, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং মানবিকতার এক অনন্য চিত্র তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রাকারে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক ও সমাজসচেতনতা মূলক একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি মৃত্যুক্ষধা উপন্যাসের রচয়িতা নন, তবে তিনি যোগাযোগ ও শেষের কবিতার মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। B) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি মৃত্যুক্ষধা উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি মূলত দামিনী ও পালামৌ ভ্রমণের লেখক হিসেবে পরিচিত। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মৃত্যুক্ষধা উপন্যাসের সফল রচয়িতা। D) রামমোহন রায় — ইনি মৃত্যুক্ষধা উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি বাংলা গদ্যের পত্তন ও সামাজিক সংস্কারের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুল ইসলামের তিনটি প্রধান উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষধা ও কুহেলিকা। - পরীক্ষার হলে উপন্যাসের নাম দেখলে বিদ্রোহী কবির সামাজিক উপন্যাসের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তার উপন্যাস সংখ্যা কম হওয়ায় মৃত্যুক্ষধা, কুহেলিকা ও বাঁধন হারা ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0