প্রশ্নের বর্ণনা

a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d কায়কোবাদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কায়কোবাদ ১. কেন সঠিক: মহাশ্মশান একটি বিখ্যাত বাংলা মহাকাব্যের নাম এবং এর রচয়িতা হলেন মহাকবি কায়কোবাদ। পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মহাকাব্যটি রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ ছদ্মনাম হলেও তাঁর মূল নাম কাজেম আল কোরেশী। মহাশ্মশান মহাকাব্যটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য ব্যাখ্যা: পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধে মুসলিম শক্তির পরাজয় ও বেদনাদায়ক ইতিহাস এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: অমিয়ধারা ব্যাখ্যা: এটি কবি কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেছেন, মহাশ্মশান তাঁর রচনা নয়। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং মূলত গীতিপার্থক্যের জন্য বিখ্যাত, মহাকাব্যের রচয়িতা নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হলেও মহাশ্মশান নামের কোনো মহাকাব্য রচনা করেননি। D) কায়কোবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের সফল রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: মহাশ্মশান ও কায়কোবাদ মনে রাখতে মহাশ্মশান শব্দের ম এবং কায়কোবাদ নামের ক দিয়ে মনে রাখা যায় মহাশ্মশানের মূল কবি কায়কোবাদ। ঐতিহাসিক যুদ্ধের মহাকাব্য মানেই কায়কোবাদের মহাশ্মশান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মহাশ্মশান মহাকাব্যের রচয়িতা কায়কোবাদ এবং মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0