প্রশ্নের বর্ণনা

a উত্তর-আধুনিক
b আধুনিক
c মধ্যযুগ
d প্রাচীনযুগ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধ্যযুগ ১. কেন সঠিক: - মঙ্গলকাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান ধারা এবং এই যুগেই এর উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছিল। - মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এবং মঙ্গলকাব্য এই সময়ের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মঙ্গলকাব্য হলো দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত একশ্রেণির আখ্যানকাব্যের নাম যা মধ্যযুগে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। - মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল হলো এই ধারার সবচেয়ে বিখ্যাত তিনটি প্রধান কাব্য শাখা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় একটি কাব্য যেখানে দেবী মনসার পূজাপ্রচারের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত এই মঙ্গলকাব্যটি মধ্যযুগের সমাজচিত্র ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার এক চমৎকার ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর-আধুনিক — এই অপশনটি কালপঞ্জির দিক থেকে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কারণ মঙ্গলকাব্য আধুনিককালের অনেক আগের সৃষ্টি। B) আধুনিক — আধুনিক যুগের সূচনা হয় উনিশ শতকের শুরুতে, অথচ মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছে মধ্যযুগের বিভিন্ন সময়ে। C) মধ্যযুগ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং মঙ্গলকাব্যের সৃষ্টির কাল এর সঙ্গেই সরাসরি যুক্ত। D) প্রাচীনযুগ — প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ, তাই মঙ্গলকাব্য এই যুগের সাহিত্যকর্ম হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের সাহিত্য মনে রাখতে শুধু মনে রাখবে মধ্যযুগ মানেই দেবদেবীর মঙ্গলকাব্য এবং বৈষ্ণব পদাবলীর স্বর্ণযুগ। - চর্যাপদ প্রাচীনযুগ এবং মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগ এই বিভাজনটুকু স্পষ্ট রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মঙ্গলকাব্যের আদি কবি বা বিভিন্ন ধারার প্রণেতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের সময়সীমা ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এবং এই যুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0