প্রশ্নের বর্ণনা

a নবীনচন্দ্রের
b হেমচন্দ্রের
c মধুসূদনের
d রবীন্দ্রনাথের
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধুসূদনের ১. কেন সঠিক: 'ব্রজাঙ্গনা' কাব্যটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গীতি কাব্য যা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা। 'ব্রজাঙ্গনা' কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং এতে বৈষ্ণব পদাবলীর রাধার বিরহভাব আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা মহাকাব্য যা রামায়ণ অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য যা পৌরাণিক চরিত্রগুলোর পত্রে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীনচন্দ্রের — নবীনচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কাব্যরসিদ ও কবি যার বিখ্যাত রচনা অবকাশ রঞ্জিনী ও পলাশীর যুদ্ধ। B) হেমচন্দ্রের — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি যার মহাকাব্য বৃত্রসংহার অত্যন্ত জনপ্রিয়। C) মধুসূদনের — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি। D) রবীন্দ্রনাথের — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি যিনি গীতাঞ্জলি ও মানসী সহ অজস্র কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্তের বীরাঙ্গনা ও ব্রজাঙ্গনা দুটি কাব্যই নারী চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত। কবিগণের নামের সাথে কাব্য মিলিয়ে পড়ার কৌশল মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ ও নাটকগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। ব্রজাঙ্গনা কাব্যের রচনাকাল ও এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0