প্রশ্নের বর্ণনা

a ব্রজধামে কথিত ভাষা
b একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
c বাংলা ও হিন্দির যোগফল
d মৈথিলী ভাষার একটি উপভাষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা ১. কেন সঠিক: - ব্রজবুলি কোনো অঞ্চলের প্রাকৃতিকভাবে বিকশিত কথ্য ভাষা নয়, এটি মধ্যযুগের কবিদের দ্বারা তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। - মৈথিলী ভাষার সঙ্গে ব্রজভাষা, বাংলা ও অবহট্ট ভাষার মিশ্রণে এই বিশেষ কাব্যভাষা তৈরি করা হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলী রচনার জন্য বাংলার কবিরা মৈথিলী ভাষাকে ভিত্তি করে এই কৃত্রিম ভাষা ব্যবহার করতেন। - বিদ্যাপতি মৈথিলী কবি হলেও বাংলা ও অন্যান্য অঞ্চলের কবিরা এই কৃত্রিম ভাষায় পদ রচনা করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গান রচনার প্রধান মাধ্যম ছিল এই ব্রজবুলি ভাষা। উদাহরণ ২: কবি জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের পদ ব্যাখ্যা: বাঙালি কবিরা নিজেদের কথ্য বাংলা বাদ দিয়ে কৃত্রিম ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রজধামে কথিত ভাষা — ব্রজধামে ব্রজভাষা প্রচলিত ছিল, যা ব্রজবুলি নয় এবং এটি কোনো কৃত্রিম ভাষা ছিল না। B) একরকম কৃত্রিম কবিভাষা — এটি সঠিক উত্তর, তাই অপশন বি সঠিক। C) বাংলা ও হিন্দির যোগফল — ব্রজবুলির মূল ভিত্তি বাংলা বা হিন্দি নয়, বরং এটি মূলত মৈথিলী ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। D) মৈথিলী ভাষার একটি উপভাষা — মৈথিলী একটি প্রাকৃতিক ভাষা বা উপভাষা, কিন্তু ব্রজবুলি কোনো অঞ্চলের স্বাভাবিক উপভাষা ছিল না, এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রজবুলি দেখলেই মনে রাখবে এটি কোনো অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং কবিদের তৈরি একটি কৃত্রিম ভাষা। - বিদ্যাপতি মৈথিলী কবি হলেও বাঙালি কবিরা এই কৃত্রিম ভাষায় পদ লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কোন ধরনের ভাষা। - উত্তর সবসময় হবে এটি একটি কৃত্রিম কবিভাষা বা সাহিত্যিক ভাষা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0