প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d জসীমউদদীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ‘ব্যথার দান’ হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ। - ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনার পাশাপাশি রোমান্টিকতা ও মানবপ্রেমের অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিশ শতকের অন্যতম প্রধান কবি ও কথাশিল্পী, যিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর ছোটগল্প রচনার ক্ষেত্রে রোমান্টিক বেদনা, সমাজসচেতনতা এবং মানবমুক্তির সুর গভীরভাবে লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিক্তের বেদন ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, যা তাঁর গদ্যশিল্পের অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: পদ্মপ্লাবন ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম, যা তাঁর গল্পগ্রন্থ রচনার ধারাবাহিকতার অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘ব্যথার দান’ গ্রন্থের রচয়িতা। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে ও কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা এবং মহাকবি, তবে তিনি ‘ব্যথার দান’ লেখেননি। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক জনপ্রিয় কথাশিল্পী, তবে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে দেবদাস ও শ্রীকান্ত অন্যতম, ‘ব্যথার দান’ তাঁর নয়। D) জসীমউদদীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ, তবে এই গল্পগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যেমন অগ্নিবীণা, তেমনি তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান। - প্রখ্যাত লেখকের প্রথম সাহিত্যকর্মগুলো মনে রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম গ্রন্থ বা প্রথম প্রকাশনা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0