প্রশ্নের বর্ণনা

a পঞ্চ রস
b ষষ্ঠ রস
c সপ্ত রস
d অষ্ট রস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চ রস ১. কেন সঠিক: বৈষ্ণব পদাবলীতে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তের বা রাধার ভক্তির ভাবকে প্রধানত পাঁচটি প্রধান রসে ভাগ করা হয়েছে। এই পাঁচটি রস বা ভাব ভারতীয় অলংকার শাস্ত্র ও ভক্তি দর্শনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বৈষ্ণব পদাবলী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলার আড়ালে জীবাত্মার পরমাত্মার মিলনের আকুতি প্রকাশ পায়। ভক্তি রত্নাকর ও ভক্তিমৃতসিন্ধু গ্রন্থ অনুযায়ী ভক্তির প্রধান রস পাঁচটি যথা শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর রস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুর রস ব্যাখ্যা: রাধার সঙ্গে কৃষ্ণের প্রেমলীলা বা অভিসার হলো মধুর রসের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও প্রধান উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাৎসল্য রস ব্যাখ্যা: যশোদা কর্তৃক কৃষ্ণকে মাখন খাওয়ানো বা লালনপালন করার দৃশ্যটি বাৎসল্য রসের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চ রস — এই অপশনটি সঠিক কারণ বৈষ্ণব পদাবলীতে রসের সংখ্যা পাঁচটি নির্ধারিত করা হয়েছে। B) ষষ্ঠ রস — বৈষ্ণব পদাবলীতে রসের সংখ্যা ছয়টি নয় তাই এই অপশনটি ভুল। C) সপ্ত রস — বৈষ্ণব পদাবলীতে সাতটি রসের কোনো স্বীকৃতি নেই তাই এটি ভুল। D) অষ্ট রস — নাট্যশাস্ত্রে আটটি রসের কথা বলা হলেও বৈষ্ণব পদাবলীতে পাঁচটি রস গৃহীত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বৈষ্ণব পদাবলীর রস মনে রাখার সহজ উপায় হলো শান্ত দাস সখ্য বাত মধুর এই পাঁচটি শব্দ মনে রাখা। পঞ্চ মানে পাঁচ তাই পাঁচ প্রকার রস সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বৈষ্ণব পদাবলীর রসের সংখ্যা বা শ্রেষ্ঠ রস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। বৈষ্ণব পদাবলীতে মধুর রস বা উজ্জ্বল রসকে সর্বশ্রেষ্ঠ রস হিসেবে গণ্য করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0