প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মুনীর চৌধুরী
c সমরেশ বসু
d প্রমথ চৌধুরী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন প্রমথ চৌধুরী যিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। - বিংশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার দীপ্তি ও প্রমিত রূপ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও ইওরোপীয় ধারার মননশীল লেখক। - তার সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে তোলে এবং নতুন ধারার জন্ম দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ রায়তের কথা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সমাজ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধ সনেট পঞ্চাশত। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সনেট চর্চার ক্ষেত্রে একটি অনন্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ভানুসিংহ, কাল পেঁচা ও অন্নদাকালী ছদ্মনামে লিখতেন কিন্তু বীরবল নামে লিখতেন না। B) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং তিনি কোনো নির্দিষ্ট ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন না। C) সমরেশ বসু — তিনি কালকূট ও ভ্রমর ছদ্মনামে উপন্যাস ও গল্প রচনা করতেন। D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বীরবল ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির প্রবক্তা এবং তার লেখার মূল বাহন ছিল বুদ্ধিমত্তা তাই বুদ্ধিদীপ্ত বীর বল বীরবল ছদ্মনামটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে তাই প্রমথ চৌধুরীর বীরবল ছদ্মনামটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0