প্রশ্নের বর্ণনা

a মীর মশাররফ হোসেন
b প্রমথ চৌধুরী
c বিমল ঘোষ
d সমরেশ বসু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম যা তিনি তার সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতেন। - বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এবং প্রমাদ দূরীকরণে তিনি এই ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় লিখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি বা কথ্য রীতির প্রবর্তক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং সম্মানিত। - তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন যা বাংলা চলিত রীতির আন্দোলনকে সফল করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ যা বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: রায়তের কথা ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যেখানে তার ছদ্মনামের ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন - মীর মশাররফ হোসেন কোনো ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না, তিনি তার নিজের নামেই সাহিত্য রচনা করেছেন। B) প্রমথ চৌধুরী - এটি সঠিক উত্তর এবং তার ছদ্মনাম ছিল বীরবল। C) বিমল ঘোষ - বিমল ঘোষের বিখ্যাত ছদ্মনাম মোচড় বা মৌচাক নয়, বরং তিনি মৌমাছি ছদ্মনামে লিখতেন। D) সমরেশ বসু - সমরেশ বসু কালকুট ও ভ্রমর ছদ্মনামে বিভিন্ন উপন্যাস ও গল্প লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর চৌধুরী শব্দের চ এবং বীরবলের ব মিলে চ-ব বা চলতি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে মনে রাখতে পারো। - বীরবল ছদ্মনামের সাথে সবুজপত্র পত্রিকার সম্পর্ক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যের লেখকদের ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা চাকরি পরীক্ষার জন্য আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0