প্রশ্নের বর্ণনা

a গোবিন্দ হালদার
b সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
c জীবনান্দন দাশ
d কবি জসিমউদদীন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত রূপসী বাংলা কাব্যের অন্তর্গত। - কবির গভীর দেশপ্রেম এবং বাংলার প্রকৃতির প্রতি তাঁর অনন্য অনুরাগ এই পঙক্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার নির্জনতম কবি ও রূপসী বাংলার কবি হিসেবে সমাদৃত। - তাঁর এই কবিতাটি বাংলার শাশ্বত রূপ ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের প্রতীক, যা পাঠককে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হায় পাখি, একদিন কুয়াশার বুক ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠালছায়ায় ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটিতেও জীবনানন্দ দাশের কবিতায় বাংলার নিসর্গপ্রকৃতির প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলার নদনদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে মিশে আছে প্রাণের গভীরে ব্যাখ্যা: কবি বাংলার মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিজের আত্মিক সম্পর্কের কথা এই ধরনের পঙক্তিমালায় বারবার প্রকাশ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ হালদার — ইনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার বিখ্যাত একটি প্রতিবাদী গানের গীতিকার, এই কবিতার রচয়িতা নন। B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা নন। C) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই পঙক্তিটি রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। D) কবি জসিমউদদীন — ইনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার রূপের প্রেমে এমনভাবে মগ্ন ছিলেন যে তাঁর কবিতায় পৃথিবীর রূপ খোঁজার প্রয়োজন ফুরিয়েছিল। - কবি ও কাব্য নাম মনে রাখার জন্য রূপসী বাংলার কবি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে স্মরণে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং এটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিখ্যাত কবিতার পঙক্তি কার লেখা, তা জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0