প্রশ্নের বর্ণনা

a মুহম্মদ আবদুল হাই
b মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c মুহম্মদ এনামুল হক
d আহমদ শরীফ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আহমদ শরীফ ১. কেন সঠিক: 'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' গ্রন্থটির সম্পাদক হলেন বিশিষ্ট গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড. আহমদ শরীফ। বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা এবং সঠিক বানান ও অর্থ নিশ্চিত করার জন্য বাংলা একাডেমি এই প্রমিত অভিধানটি প্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. আহমদ শরীফ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, গবেষক এবং মুক্তমনা চিন্তাবিদ। তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পুথি সম্পাদনার জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. আহমদ শরীফ সম্পাদিত মধ্যযুগের কাব্যের নাম লোর-চন্দ্রমাবতী। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্য সম্পাদনা কর্ম। উদাহরণ ২: ড. আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থের নাম বাঙালির চিন্তাচেতনা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে বাঙালি জাতির মননশীলতা এবং ইতিহাস সম্পর্কে গভীর আলোচনা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি বাংলা ভাষা ও ধ্বনিতত্ত্বের ওপর গুরুত্বপূর্ণ কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট অভিধানটি সম্পাদনা করেননি। B) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি মূলত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র ইতিহাস ও আঞ্চলিক ভাষার অভিধানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এই সংক্ষিপ্ত অভিধানের সম্পাদক নন। C) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি বাংলা ভাষার আঞ্চলিক অভিধান এবং অন্যান্য সাহিত্যকর্মের সম্পাদক হিসেবে পরিচিত হলেও এই গ্রন্থটির সম্পাদক নন। D) আহমদ শরীফ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান সফলভাবে সম্পাদনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত অভিধানের পাতা উল্টালে শরীফ স্যারের নাম মনে রাখবে। অভিধান সম্পাদনায় আহমদ শরীফের অবদান সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির বিভিন্ন প্রকাশনা এবং অভিধানের সম্পাদকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস অংশ থেকে কমন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0